॥ শ্রী বিষ্ণু আরতি ॥
ওম জয় জগদীশ হরে, স্বামী জয় জগদীশ হরে।
ভক্ত জনোঁ কে সংকট, ক্ষণ মেঁ দূর করে॥
বঙ্গানুবাদ: হে জগতের স্বামী জগদীশ বিষ্ণু! আপনার জয় হোক। আপনি ভক্তদের সংকট মুহূর্তে দূর করে দেন।
যো ধ্যাবে ফল পাবে, দুখ বিনসে মন কা।
সুখ সম্পতি ঘর আবে, কষ্ট মিটে তন কা॥
ওম জয় জগদীশ হরে…
বঙ্গানুবাদ: যে আপনার ধ্যান করে ফল পায়, মনের দুঃখ মেটে। ঘরে সুখ-সম্পদ আসে এবং শরীরের কষ্ট দূর হয়।
মাত পিতা তুম মেরে, শরণ গহুঁ মেঁ কিসকী।
তুম বিন ঔর না দূজা, আস করুঁ জিসকী॥
ওম জয় জগদীশ হরে…
বঙ্গানুবাদ: আপনিই আমার মাতা ও পিতা, কার শরণ নেব? আপনি ছাড়া আর কেউ নেই যার থেকে আশা রাখতে পারি।
তুম পূরণ পরমাত্মা, তুম অন্তর্যামী।
পার ব্রহ্ম পরমেশ্বর, তুম সবকে স্বামী॥
ওম জয় জগদীশ হরে…
বঙ্গানুবাদ: আপনি পূর্ণ পরমাত্মা, সকলের অন্তরের জ্ঞাতা। আপনি পরব্রহ্ম পরমেশ্বর এবং সকলের স্বামী।
তুম করুণা কে সাগর, তুম পালনকর্তা।
মেঁ সেবক তুম স্বামী, কৃপা করো ভর্তা॥
ওম জয় জগদীশ হরে…
বঙ্গানুবাদ: আপনি করুণার সাগর ও পালনকর্তা। আমি সেবক, আপনি স্বামী — হে ভর্তা! আমার প্রতি কৃপা করুন।
দীনবন্ধু দুখহর্তা, তুম ঠাকুর মেরে।
অপনে হাথ উঠাও, দ্বার পড়া তেরে॥
ওম জয় জগদীশ হরে…
বঙ্গানুবাদ: হে দীনদের বন্ধু, দুঃখহারী, আমার ঠাকুর! হাত তুলুন — আমি আপনার দ্বারে পড়ে আছি।
বিষয় বিকার মিটাও, পাপ হরো দেবা।
শ্রদ্ধা ভক্তি বঢ়াও, সন্তন কী সেবা॥
ওম জয় জগদীশ হরে…
বঙ্গানুবাদ: হে দেব! আমার বিষয়-বিকার মেটান, পাপ হরণ করুন। আমার শ্রদ্ধা ও ভক্তি বাড়ান এবং সাধু-সন্তদের সেবা করার শক্তি দিন।


