Listen to শ্রী হনুমান চালিসা
Serene Devotional Audio Recitation
॥ দোহা ॥
শ্রীগুরু চরণ সরোজ রজ, নিজ মনু মুকুরু সুধারি।
বরনউ রঘুবর বিমল জসু, জো দায়কু ফল চারি॥
বঙ্গানুবাদ: শ্রী গুরুদেবের চরণকমলের ধূলি দ্বারা আমার মন রূপী দর্পণকে নির্মল ও পবিত্র করে, আমি শ্রী রঘুবীরের সেই নিষ্কলঙ্ক ও পবিত্র যশের বর্ণনা করছি, যা ধর্ম, অর্থ, কাম এবং মোক্ষ—এই চতুর্বর্গ ফল প্রদান করে।
বুদ্ধিহীন তনু জানিকে, সুমিরৌ পবন-কুমার।
বল বুদ্ধি বিদ্যা দেহু মোহিঁ, হরহু কলেস বিকার॥
বঙ্গানুবাদ: হে পবনপুত্র! নিজেকে জ্ঞান ও বুদ্ধিহীন জেনে আমি আপনার শরণ নিচ্ছি ও স্মরণ করছি। আপনি আমাকে শারীরিক বল, নির্মল বুদ্ধি ও শুদ্ধ বিদ্যা দান করুন এবং আমার জীবনের সমস্ত দুঃখ, ক্লেশ ও মানসিক বিকার দূর করুন।
॥ চৌপাই ॥
১. জয় হনুমান জ্ঞান গুন সাগর। জয় কপীস তিহু লোক উজাগর॥
বঙ্গানুবাদ: জ্ঞান ও গুণের অপার সিন্ধু শ্রী হনুমানজীর জয় হোক! তিন লোকে যাঁর পরাক্রম ও যশ উজ্জ্বলভাবে প্রকাশিত, সেই বানরেশ্বর কপীশের জয় হোক!
২. রাম দূত অতুলিত বল ধামা। অঞ্জনি-পুত্র পবনসুত নামা॥
বঙ্গানুবাদ: আপনি প্রভু শ্রীরামের পরম বিশ্বস্ত দূত এবং অতুলনীয় শক্তির আধার। আপনি মাতা অঞ্জনীর সুপুত্র এবং পবনসুত নামে ত্রিভুবনে খ্যাত।
৩. মহাবীর বিক্রম বজরঙ্গী। কুমতি নিবার সুমতি কে সঙ্গী॥
বঙ্গানুবাদ: হে মহাবীর, বজ্রের ন্যায় সুদৃঢ় দেহের অধিকারী বজরঙ্গবলী! আপনি কু mati (কুচিন্তা ও কুপ্রবৃত্তি) দূর করেন এবং সুমতি (সদ্বুদ্ধি ও সৎচিন্তার) পরম সহায়ক।
৪. কঞ্চন বরন বিরাজ সুবেসা। কানন কুন্ডল কুঞ্চিত কেসা॥
বঙ্গানুবাদ: আপনার দেহের কান্তি সুবর্ণের মতো উজ্জ্বল ও শোভাময়। আপনার কর্ণে দিব্য কুন্ডল এবং মস্তকে সুন্দর কুঞ্চিত কেশরাশি শোভা পাচ্ছে।
৫. হাত বজ্র ঔ ধ্বজা বিরাজৈ। কাঁধে মুঁঞ্জ জনেঊ সাজৈ॥
বঙ্গানুবাদ: আপনার এক হস্তে বজ্রতুল্য গদা এবং অন্য হস্তে শ্রীরাম-বিজয়ের পবিত্র ধ্বজা শোভা পাচ্ছে। আপনার স্কন্ধে পবিত্র মুঞ্জা ঘাসের উপবীত শোভায়মান।
৬. সংকর সুবন কেসরীনন্দন। তেজ প্রতাপ মহা জগ বন্দন॥
বঙ্গানুবাদ: আপনি রুদ্রাবতার ভগবান শিবের রূপ এবং মহারাজ কেশরীর নন্দন। আপনার অপার তেজ ও মহিমার বন্দনা সমগ্র জগৎ শ্রদ্ধাভরে করে থাকে।
৭. বিদ্যাবান গুণী অতি চাতুর। রাম কাজ করিবে কো আতুর॥
বঙ্গানুবাদ: আপনি সমস্ত বিদ্যায় পারদর্শী, পরম গুণসম্পন্ন ও পরম চতুর। প্রভু শ্রীরামচন্দ্রের যে কোনো সেবা ও আদেশ পালনে আপনি সর্বদাই ব্যাকুল ও তৎপর।
৮. প্রভু চরিত্র সুনিবে কো রসিয়া। রাম লখন সীতা মন বসিয়া॥
বঙ্গানুবাদ: আপনি প্রভু শ্রীরামচন্দ্রের পবিত্র লীলাকথা শ্রবণে পরম আনন্দ পান। আপনার হৃদয়ে সর্বদাই শ্রীরাম, লক্ষ্মণ ও মাতা জানকী বিরাজ করেন।
৯. সূক্ষ্ম রূপ ধরি সিয়হিঁ দিখাওয়া। বিকট রূপ ধরি লঙ্ক জরাওয়া॥
বঙ্গানুবাদ: আপনি অশোক বনে মাতা সীতার সম্মুখে অতি ক্ষুদ্র ও সূক্ষ্ম রূপ ধারণ করে দর্শন দিয়েছিলেন, আবার লঙ্কায় বিশাল সংহারী রূপ ধরে সমগ্র লঙ্কাপুরী ভস্মীভূত করেছিলেন।
১০. ভীম রূপ ধরি অসুর সঁহারে। রামচন্দ্র কে কাজ সংবারে॥
বঙ্গানুবাদ: আপনি বিশাল ও শক্তিশালী ভীম রূপ ধারণ করে দুষ্ট অসুরদের বিনাশ করেছিলেন এবং প্রভু শ্রীরামচন্দ্রের সকল কার্য সফল করেছিলেন।
১১. লায় সজীবন লখন জিয়াযে। শ্রীরঘুবীর হরষি উর লায়ে॥
বঙ্গানুবাদ: আপনি গন্ধমাদন পর্বত থেকে সঞ্জীবন বাণ এনে মূর্ছিত লক্ষ্মণজীর প্রাণরক্ষা করেছিলেন। পরম আনন্দে আপ্লুত হয়ে শ্রীরামচন্দ্র আপনাকে গভীর প্রেমে বুকে জড়িয়ে নিয়েছিলেন।
১২. রঘুপতি কীন্হী বহুত বড়ায়ী। তুম মম প্রিয় ভরথহি সম ভায়ী॥
বঙ্গানুবাদ: শ্রী রঘুনাথজী আপনার ভূয়সী প্রশংসা করে বলেছিলেন—হে হনুমান! তুমি আমার কাছে আমার প্রিয় ভ্রাতা ভরতের মতোই স্নেহের ও প্রিয়।
১৩. সহস বদন তুম্হরো জস গাবৈঁ। অস কহি শ্রীপতি কণ্ঠ লগাবৈঁ॥
বঙ্গানুবাদ: সহস্র মুখবিশিষ্ট অনন্ত নাগও তোমার কীর্তিগাথা গান করে থাকেন—এই কথা বলে লক্ষ্মীপতি শ্রীরাম আপনাকে পুনরায় প্রেমভরে আলিঙ্গন করেন।
১৪. সনকাদিক ব্রহ্মাদি মুনীসা। নারদ সারদ সহিত অহীসা॥
১৫. জম কুবের দিগপাল জহাঁ তে। কবি কোবিদ কহি সকে কহাঁ তে॥
বঙ্গানুবাদ: সনক প্রভৃতি মহর্ষিগণ, ব্রহ্মা প্রমুখ দেবতাবৃন্দ, দেবর্ষি নারদ, দেবী সরস্বতী ও শেষনাগ এবং যমরাজ, কুবের ও দিকপালগণও যাঁর পূর্ণ মহিমা প্রকাশ করতে পারেন না, সেখানে সাধারণ কবি ও পণ্ডিতেরা আপনার রূপ ও গুণের কতটুকুই বা বর্ণনা করতে পারে!
১৬. তুম উপকার সুগ্রীবহিঁ কীন্হা। রাম মিলায় রাজ পদ দীন্হা॥
বঙ্গানুবাদ: আপনি সুগ্রীবের প্রতি পরম উপকার করেছিলেন; তাঁকে শ্রীরামের সাথে মিলিয়ে দিয়ে কিষ্কিন্ধার হারানো রাজসিংহাসন ফিরিয়ে দিয়েছিলেন।
১৭. তুম্হরো মন্ত্র বিভীষণ মানা। লঙ্কেশ্বর ভয়ে সব জগ জানা॥
বঙ্গানুবাদ: আপনার হিতোপদেশ ও পরামর্শ মান্য করেই বিভীষণ লঙ্কার অধীশ্বর হয়েছিলেন, যা সমগ্র বিশ্ব জানে।
১৮. জুগ সহস্র যোজন পর ভানূ। লীল্যো তাহি মধুর ফল জানূ॥
বঙ্গানুবাদ: পৃথিবী থেকে সহস্র যোজন দূরে অবস্থিত প্রখর সূর্যদেবকে আপনি শৈশবে একটি সুস্বাদু মিষ্টি ফল মনে করে অবলীলায় গ্রাস করেছিলেন।
১৯. প্রভু মুদ্রিকা মেলি মুখ মাহীঁ। জলধি লাঁঘি গয়ে অচরজ নাহীঁ॥
বঙ্গানুবাদ: প্রভু শ্রীরামের রাজমুদ্রা মুখে ধারণ করে আপনি অসীম সমুদ্র এক লম্ফে পার হয়েছিলেন, আপনার মতো মহাবীরের পক্ষে এতে কোনো আশ্চর্যের কিছু নেই।
২০. দুর্গম কাজ জগত কে জেতে। সুগম অনুগ্রহ তুম্হরে তেতে॥
বঙ্গানুবাদ: এই সংসারে যত প্রকার কঠিন ও অসাধ্য কাজ রয়েছে, আপনার কৃপা ও আশীর্বাদে সেই সবই অত্যন্ত সহজ ও সুগম হয়ে ওঠে।
২১. রাম দুয়ারে তুম রখবারে। হোত ন আজ্ঞা বিনু পৈসারে॥
বঙ্গানুবাদ: আপনি শ্রীরামের মন্দিরের পরম প্রহরী ও দ্বারপাল। আপনার অনুমতি ও কৃপা ব্যতিরেকে কেউই শ্রীরামের সান্নিধ্য লাভ করতে পারে না।
২২. সব সুখ লহৈ তুম্হারী সরনা। তুম রক্ষক কাহূ কো ডর না॥
বঙ্গানুবাদ: আপনার পবিত্র শরণাপন্ন হলে ভক্ত সকল প্রকার পার্থিব ও পরমার্থিক সুখ লাভ করে। আপনি যাঁর রক্ষক, তাঁর ত্রিভুবনে কোনো কিছুরই ভয় থাকে না।
২৩. আপন তেজ সম্হারো আপৈ। তীনো লোক হাঁক তেঁ কাঁপৈ॥
বঙ্গানুবাদ: আপনার প্রলয়ঙ্কর তেজ ও বেগ সামলানোর ক্ষমতা একমাত্র আপনার নিজেরই আছে। আপনার একটিমাত্র সিংহনাদে ত্রিভুবন ভয়ে থরথর করে কেঁপে ওঠে।
২৪. ভূত পিসাচ নিকট নহিঁ আবৈ। মহাবীর জব নাম সুনাবৈ॥
বঙ্গানুবাদ: যেখানে মহাবীর হনুমানজীর পবিত্র নাম উচ্চারিত ও পঠিত হয়, সেখানে ভূত-প্রেত বা কোনো প্রকার অশুভ শক্তি কখনো কাছে ঘেঁষতে পারে না।
২৫. নাসৈ রোগ হরৈ সব পীরা। জপত নিরন্তর হনুমত বীরা॥
বঙ্গানুবাদ: বীর হনুমানের নাম প্রতিনিয়ত একাগ্রচিত্তে জপ করলে সকল প্রকার দুরারোগ্য ব্যাধি বিনষ্ট হয় এবং জীবনের সমস্ত যন্ত্রণা উপশম হয়।
২৬. সংকট তেঁ হনুমান ছুড়াবৈ। মন ক্রম বচন ধ্যান জো লাবৈ॥
বঙ্গানুবাদ: যে ব্যক্তি কায়-মন-বাক্যে হনুমানজীর চরণে ধ্যান নিবেদন করে, হনুমানজী তাকে জীবনের সর্বপ্রকার চরম সংকট ও বিপদ থেকে উদ্ধার করেন।
২৭. সব পর রাম তপস্বী রাজা। তিন কে কাজ সকল তুম সাজা॥
বঙ্গানুবাদ: তপস্বী রাজা প্রভু শ্রীরামচন্দ্র সকল দেবতার শ্রেষ্ঠ, আর আপনি পরম নিষ্ঠায় তাঁর সকল কার্য সুচারুভাবে সম্পন্ন করেছিলেন।
২৮. ঔর মনোরথ জো কোয়ি লাবৈ। সোয়ি অমিত জীবন ফল পাবৈ॥
বঙ্গানুবাদ: আপনার শরণে যে কোনো নিষ্কাম বা সাকাম প্রার্থনা নিয়ে আসে, সে এমন অক্ষয় ও অমূল্য ফল লাভ করে যার কোনো সীমা নেই।
২৯. চারো জুগ পরতাপ তুম্হারা। হৈ পরসিদ্ধ জগত উজিয়ারা॥
বঙ্গানুবাদ: সত্য, ত্রেতা, দ্বাপর এবং কলি—চার যুগেই আপনার অপরাজেয় মহিমা প্রতিষ্ঠিত এবং আপনার পুণ্যকীর্তি সমগ্র জগতে জ্যোতির্ময় হয়ে বিরাজ করছে।
৩০. সাধু সন্ত কে তুম রখবারে। অসুর নিকন্দন রাম দুলারে॥
বঙ্গানুবাদ: আপনি ধার্মিক সাধু-সন্ত ও সজ্জনদের পরম রক্ষাকর্তা, অসুরদের বিনাশকারী এবং প্রভু শ্রীরামচন্দ্রের পরম আদরের ধন।
৩১. অষ্ট সিদ্ধি নৌ নিধি কে দাতা। অস বর দীন্হ জানকী মাতা॥
বঙ্গানুবাদ: পরমপূজ্যা শ্রীমতী জানকীদেবী আপনাকে এই পরম বরদান করেছেন যে, আপনি ভক্তদের আটটি অলৌকিক সিদ্ধি ও নয়টি পরম ঐশ্বর্য নিধি দান করতে সমর্থ।
৩২. রাম রসায়ন তুম্হরে পাসা। সদা রহো রঘুপতি কে দাসা॥
বঙ্গানুবাদ: আপনার কাছে শ্রীরাম-নামামৃতের মহৌষধ রয়েছে এবং আপনি সর্বদাই রঘুপতি শ্রীরামের বিনম্র সেবক হয়ে বিরাজ করেন।
৩৩. তুম্হরে ভজন রাম কো পাবৈ। জনম জনম কে দুখ বিসরাবৈ॥
বঙ্গানুবাদ: আপনার ভজনা করলে সাক্ষাৎ পরমেশ্বর শ্রীরামের করুণা লাভ হয় এবং ভক্তের জন্ম-জন্মান্তরের সঞ্চিত দুঃখ-ক্লেশ দূর হয়ে যায়।
৩৪. অন্তকাল রঘুবর পুর জায়ী। জহাঁ জন্ম হরি-ভক্ত কহায়ী॥
বঙ্গানুবাদ: আপনার শরণাগত ভক্ত দেহাবসানে শ্রীরামের পরম বৈকুণ্ঠধামে গমন করে এবং মর্ত্যে পুনরায় জন্ম নিলেও সে পরম হরিভক্ত রূপেই পরিচিত হয়।
৩৫. ঔর দেবতা চিত্ত ন ধরয়ী। হনুমত সেই সর্ব সুখ করয়ী॥
বঙ্গানুবাদ: অন্য কোনো দেব-দেবীর উপাসনা করতে না পারলেও, কেবল হনুমানজীর অনন্য ভক্তি ও সেবায় মানব জীবনের সকল কল্যাণ ও আনন্দ লাভ করা যায়।
৩৬. সংকট কটৈ মিটৈ সব পীরা। জো সুমিরৈ হনুমত বলবীরা॥
বঙ্গানুবাদ: যে ব্যক্তি মহাবলী বীর হনুমানজীকে প্রতিনিয়ত ভক্তিভরে স্মরণ করে, তার সকল সংকট চিরতরে কেটে যায় এবং সকল দুঃখকষ্ট দূরীভূত হয়।
৩৭. জৈ জৈ জৈ হনুমান গোসায়ীঁ। কৃপা করহু গুরুদেব কী নায়ীঁ॥
বঙ্গানুবাদ: হে কৃপাময় প্রভু হনুমানজী! আপনার জয় হোক, জয় হোক, জয় হোক! আপনি সদগুরুদেবের মতো কৃপাদৃষ্টি দিয়ে আমার জীবনকে ধন্য করুন।
৩৮. জো সত বার পাঠ কর কোয়ী। ছুটহি বন্দি মহা সুখ হোয়ী॥
বঙ্গানুবাদ: ভক্তিভরে যে ব্যক্তি শতবার এই পবিত্র চালিসা পাঠ করে, সে সংসারের সকল মায়া ও দুঃখের বন্ধন থেকে মুক্ত হয়ে পরম আনন্দ ও শান্তি লাভ করে।
৩৯. জো যহ পড়ৈ হনুমান চালীসা। হোয় সিদ্ধি সাখী গৌরিসা॥
বঙ্গানুবাদ: যে কেউ নিষ্ঠার সাথে এই হনুমান চালিসা নিয়মিত পাঠ করবে, সে নিশ্চিতরূপে সর্বসিদ্ধি লাভ করবে—যার স্বয়ং সাক্ষী কৈলাসপতি মহাদেব।
৪০. তুলসীদাস সদা হরি চেরা। কীজৈ নাথ হৃদয় মহঁ ডেরা॥
বঙ্গানুবাদ: ভক্তকবি তুলসীদাস সর্বদাই শ্রীহরির দাস। হে নাথ হনুমানজী! আপনি চিরদিনের জন্য আমার অন্তরে নিজ বাসস্থান নির্মাণ করুন।
॥ অন্তিম দোহা ॥
পবনতনয় সংকট হরণ, মঙ্গল মূরতি রূপ।
রাম লখন সীতা সহিত, হৃদয় বসহু সুর ভূপ॥
বঙ্গানুবাদ: হে পবননন্দন, সর্বসংকট হরণকারী এবং মঙ্গলময় রূপধারী প্রভু! আপনি দেবশ্রেষ্ঠ শ্রীরামচন্দ্র, মাতা জানকী এবং লক্ষ্মণজীর সাথে আমার হৃদয়ে চিরকালের জন্য বিরাজ করুন।
শ্রী হনুমানজির অন্যান্য স্তোত্র ও সাধনা
চল্লিশা পাঠের পর হনুমান আরতি ও মূল মন্ত্র জপ ফলপ্রদ।


