॥ শ্রী কৃষ্ণ আরতি ॥
আরতি কুঞ্জবিহারী কী, শ্রী গিরিধর কৃষ্ণ মুরারী কী।
বঙ্গানুবাদ: বৃন্দাবনের কুঞ্জে বিহারকারী, গোবর্ধন পর্বত ধারণকারী, অসুরনাশক শ্রী কৃষ্ণের আরতি করি।
গলে মেঁ বৈজন্তী মালা, বাজাবত মুরলী মধুর বালা।
শ্রবণ মেঁ কুণ্ডল ঝলকালা, নন্দ কে আনন্দ নন্দলালা।
গগনসম অঙ্গ কান্তি কালী, রাধিকা চমক রহী আলী।
লতন মেঁ ঠাড়ে বনমালী।
আরতি কুঞ্জবিহারী কী, শ্রী গিরিধর কৃষ্ণ মুরারী কী।
বঙ্গানুবাদ: গলায় বৈজন্তী মালা পরে মধুর বাঁশি বাজানো বালকৃষ্ণ, যাঁর কানে কুণ্ডল ঝলমল করছে — তিনিই নন্দের আনন্দ নন্দলাল। আকাশের মতো শ্যাম কান্তি, পাশে রাধিকা উজ্জ্বল, লতাবিতানে বনমালী দাঁড়িয়ে।
কনকময় মোর মুকুট বিলসে, দেবতা দর্শন কো তরসে।
গগন সে সুমন রাশি বরসে, বাজে মুরছঙ্গ মধুর মৃদঙ্গ।
গোয়ালিন সঙ্গ অতুল রতি, গোপকুমারী কী।
আরতি কুঞ্জবিহারী কী, শ্রী গিরিধর কৃষ্ণ মুরারী কী।
বঙ্গানুবাদ: সোনার মোর-মুকুটের শোভা অপরূপ, দেবতারাও দর্শনের জন্য আকুল। আকাশ থেকে ফুলের বৃষ্টি হচ্ছে, মুরছঙ্গ ও মৃদঙ্গ মধুর সুরে বাজছে, গোপিকাদের সাথে অতুলনীয় আনন্দ।
যহাঁ তে প্রকট ভই গঙ্গা, কলুষ কলি হর তন-গত মঙ্গা।
শ্রী বিষ্ণু পদ পঙ্কজ অঙ্গা, বড়ী মনোহর গতি রঙ্গা।
রসিক বৃন্দাবন বিহারী কী।
আরতি কুঞ্জবিহারী কী, শ্রী গিরিধর কৃষ্ণ মুরারী কী।
বঙ্গানুবাদ: যাঁর চরণকমল থেকে গঙ্গা প্রকট হয়েছেন — কলিযুগের পাপনাশিনী সেই গঙ্গা সুন্দর গতিতে প্রবাহিত। ইনিই বৃন্দাবনের রসিক বিহারী কৃষ্ণের আরতি।


