Skip to main content
Ayodhya Ram Mandir — Chalisa Ghar
একাদশী ব্রত কথা ও মাহাত্ম্য — ভগবান শ্রীহরি বিষ্ণু

একাদশী ব্রত কথা ও মাহাত্ম্য

Dedicated to ভগবান শ্রীহরি বিষ্ণুবাংলা (Bengali)

॥ श्री ॥

॥ শ্রী একাদশী ব্রত কথা ও মাহাত্ম্য ॥

পদ্মপুরাণ ও স্কন্দপুরাণে বর্ণিত পরম বৈষ্ণব তিথি একাদশীর উৎপত্তি ও ব্রতকথা।


একাদশী দেবীর আবির্ভাব উপাখ্যান

সত্যযুগে ‘মুর’ নামক এক দুর্ধর্ষ অসুর দেবতাদের পরাজিত করে স্বর্গ অধিকার করেছিল। ভক্তবৎসল ভগবান শ্রীবিষ্ণু মুরের সাথে দীর্ঘকাল যুদ্ধ করার পর ক্লান্ত হয়ে বদ্রিকাশ্রমের হেমবতী গুহায় যোগনিদ্রায় শায়িত হন। সেই সময় মুর অসুর গোপনে ভগবানকে আক্রমণ করতে উদ্যত হয়।

ঠিক তখনই শ্রীহরির জ্যোতির্ময় শ্রীঅঙ্গ থেকে এক পরম রূপবতী ও মহাশক্তিধর কন্যার আবির্ভাব ঘটে। দেবীর রুদ্র হুঙ্কারে মুর অসুর তৎক্ষণাৎ ভস্মীভূত হয়। ভগবান শ্রীবিষ্ণু যোগনিদ্রা থেকে উত্থিত হয়ে সেই দেবীর ওপর পরম সন্তুষ্ট হন এবং তাঁর নাম রাখেন ‘একাদশী’। ভগবান বর দেন—যে ভক্ত একাদশীতে নিষ্ঠাভরে উপবাস রাখবে, তার জন্ম-জন্মান্তরের পাপ মোচন হয়ে সে আমার বৈকুণ্ঠধাম প্রাপ্ত হবে।


ব্রত পালনের মূল নিয়মাবলী

  1. দশমীর দিনে: সূর্যাস্তের পূর্বে হবিষ্যান্ন বা নিরামিষ আহার গ্রহণ করুন।
  2. একাদশীর দিনে: সম্পূর্ণ নির্জলা বা সজলা ব্রত রাখুন। চাল, ডাল, গম ইত্যাদি পঞ্চরবিশস্য সম্পূর্ণ বর্জনীয়।
  3. দ্বাদশীর পারণ: পরদিন ব্রাহ্মমুহূর্তের পর শুভ তিথিতে বিষ্ণুর ভোগ প্রসাদ গ্রহণ করে পারণ সম্পন্ন করুন।
॥ इति श्री शुभम् ॥