॥ হে শিব শঙ্কর হে করুণাকর ॥
হে শিব শঙ্কর, হে করুণাকর, শোনো আমাদের প্রার্থনা।
ভবভয়হারী, পরম মঙ্গলকারী, দূর করো সকল যাতনা॥
স্তবক ১
মস্তকে জাহ্নবী ধারা বহে যায়, কপালে চাঁদের শোভা।
গলে দোলে কালসর্পের মালা, বিশ্বভুবন মনোলোভা॥
ডমরু বাজে ডম-ডম-ডম-ডম, নাচে ভোলানাথ ভাণ্ডারী।
হে শিব শঙ্কর, হে করুণাকর, শোনো আমাদের প্রার্থনা॥
স্তবক ২
জগৎ বাঁচাতে বিষ পান করেছিলে, হে নীলকণ্ঠ দয়াময়।
ভক্তের সকল সংকট হরিয়া, দান করো চির অভয়॥
আমরা অজ্ঞান সন্তান তোমার, চরণে আশ্রয় দাও।
ভক্তিপ্রেমের অমৃতসুধা দিয়ে, জীবন সফল নাও॥
হে শিব শঙ্কর, হে করুণাকর, শোনো আমাদের প্রার্থনা॥
সরল ভাবার্থ
এই ভজনটি দেবাদিদেব মহাদেবের পরম কৃপাময় নীলকণ্ঠ রূপের বন্দনা। সমুদ্রমন্থনে জগতের জীবকুলকে রক্ষা করতে যিনি বিষকণ্ঠ হয়েছিলেন, সেই করুণাসিন্ধু ভোলানাথ সামান্য ভক্তি ও বেলপাতা পেলেই ভক্তকে পরম শান্তি ও অভয় দান করেন।


