॥ श्री ॥
॥ শ্রী হনুমান বাহুক ॥
জীবনের অন্তিম লগ্নে যখন গোস্বামী তুলসীদাস তীব্র বাহুবেদনা ও দুরারোগ্য বাতরোগে কাতর হয়েছিলেন, তখন হনুমানজীর আদেশে তিনি এই মহিমান্বিত স্তোত্র রচনা করে রোগমুক্ত হন।
নির্বাচিত মূল ছন্দ ও বঙ্গানুবাদ
ছপ্পয় ছন্দ
সিন্ধু তরণ, সীয়-সোচ হরণ, রাবণ-দলন,
সঞ্জীবন লখন জিয়াবন কপিরাজ হৈঁ।
অক্ষয়-কুমার-মারণ, লঙ্ক-জারণ,
বিভীষণ-তাকণ, জগ-বিদিত সমাজ হৈঁ॥
বঙ্গানুবাদ: যিনি অক্লেশে মহাসমুদ্র লঙ্ঘন করেছিলেন, মাতা জানকীর গভীর শোকহরণ করেছিলেন, রাবণের অহংকার চূর্ণ করেছিলেন এবং সঞ্জীবনী এনে লক্ষ্মণজীর প্রাণরক্ষা করেছিলেন—সেই কপিরাজ হনুমানজীর জয় হোক। যিনি অক্ষয়কুমারকে বধ করেছিলেন, স্বর্ণলঙ্কা দগ্ধ করেছিলেন এবং বিভীষণকে শরণ দিয়ে ত্রিলোকখ্যাত হয়েছিলেন।
পাঠের নিয়ম ও আরোগ্য মাহাত্ম্য
- পদ্ধতি: মঙ্গলবার বা শনিবারে একটি তাম্রপাত্রে শুদ্ধ জল ও তুলসীদল রেখে হনুমানজীর সামনে প্রদীপ জ্বেলে বাহুক পাঠ করুন। পাঠান্তে সেই অভিসিক্ত চরণামৃত রোগীকে পান করালে দুঃসহ শারীরিক যন্ত্রণা প্রশমিত হয়।
- সুফল: দুরারোগ্য বাতবেদনা, ফোড়া, স্নায়ুঘটিত জটিল রোগ ও দীর্ঘস্থায়ী পীড়া থেকে মুক্তিলাভ ঘটে।
॥ इति श्री शुभम् ॥


